রাজশাহীর তানোরে বহিস্কৃত ও হত্যা মামলার আসামীদের নিয়ে পর্যালোচনা সভা করে নতুন ভাবে বিতর্কের জম্ম দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য মেজর জেনারেল (অব) শরিফ উদ্দীন বলে অভিযোগ উঠেছে। গত শনিবার সকাল ১১ টা থেকে বিকেল পাঁচ টা পর্যন্ত উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ৩১ দফা বাস্তবায়নে ও সাংগঠনিক তৎপরতা বৃদ্ধির লক্ষে পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার আয়োজন করেন উপজেলা ও তানোর এবং মু্ন্ডুমালা পৌর বিএনপি অঙ্গ সহযোগী সংগঠন। বহিস্কৃত ও হত্যা মামলার আসামীদের নিয়ে সভা করার কারনে বিএনপির একাংশ সভায় ছিলেন না। আবার উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির যাবতীয় কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। কিন্তু কোন কিছুর তোয়াক্কা না করে মনোনয়ন প্রত্যাশী শরীফ উদ্দিন সভা করেন। এতে করে সিনিয়র ও তৃনমুল নেতাকর্মী দের মাঝে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, গত রমজান মাসে ইফতার মাহফিলকে কেন্দ্র করে পাঁচম্দর ও চান্দুড়িয়া ইউপি বিএনপির দুগ্রুপের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে দুই ইউপির দুই কর্মী নিহত হয়। এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিজান ও পাঁচম্দর ইউপি বিএনপির সভাপতি প্রভাষক মুজিবুর রহমান কে দল থেকে বহিস্কার করা হয় এবং উপজেলা আহবায়ক কমিটির সকল ধরনের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। দুই হত্যার ঘটনায় মামলা হয়, মামলায় জেল খাটতে হয় নেতাদের। এসব কারনে দীর্ঘ সময় ধরে তানোরে কোন ধরনের সভা করেননি শরীফ উদ্দিন।
সভার বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা ছাত্র দলের সাবেক সভাপতি আব্দুল মালেক মন্ডল বলেন, গত শনিবারের সভার সার্বিক দায়িত্ব পালন করেন বহিস্কৃত নেতা সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিজান। এমনকি দুপুরের খাবারের রান্না হয় মিজানের বাড়িতে। বহিস্কৃত ও হত্যা মামলার আসামীরা সভার দায়িত্বে থাকার কারনে আমরা উপস্থিত হয়নি। শুধু তাই না উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সরনজাই ইউপি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক খানকে আ"লীগে যোগদানের কারনে বহিস্কার হয়, তাকে নিয়ে সভা করছেন মেজর জেনারেল (অব) শরীফ উদ্দিন। দলের গঠনতন্ত্র বিরোধী কাজ করার পরও তারা কিভাবে সভায় থাকতে পারে এমন প্রশ্ন রাখেন তিনি। আরো জানান, আসলে মেজর জেনারেল (অব) রাজনৈতিক ভাবে অপরিপক্ক। তাকে মিজান যা বলছে সেটাই করছে। আগামীতে জাতীয় নির্বাচন অথচ দলের বিভেদ দূর করার পরিবর্তে নতুন রুপে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করতে মরিয়া। মিজান এক সময় মেজর জেনারেল কে তানোর পৌর সভায় ঢুকতে দেয়নি। কোন সভা করতে দেয়নি। ওই সময় সাবেক সম্পাদক মফিজ উদ্দিন, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হযরত আলী, সাবেক বাধাইড় ইউপি চেয়ারম্যান হেনা, সাবেক পাঁচন্দর ইউপি চেয়ারম্যান মমিনসহ বৃহত্তর অংশ নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে দলীয় সভা করা হয়েছে। এখন আমরা পর বহিস্কৃত মিজান আপন।
জেলা বিএনপির সদস্য সচিব বিশ্বনাথ সরকার জানান, শনিবারের মিটিং সম্পর্কে জানা নেই। তানোর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির যাবতীয় কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। তাদের সভা করার কোন এখতিয়ার নেই। বহিস্কৃত নেতারা কোনভাবেই সভায় আসতে পারবেনা। কারন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কঠোর নির্দেশনা আছে এসব ব্যাপারে। তারপরও তারা সভা করেছেন সেটা সম্পূর্ণ রুপে দলীয় গঠনতন্ত্র বিরোধী। কেন্দ্র কে অবহিত করা হবে। যে নির্দেশনা দিবেন সে মোতাবেক দলীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
বহিস্কৃত ও হত্যা মামলার আসামীদের নিয়ে সভা! ক্ষোভে ভাসছে তানোর বিএনপি
বহিস্কৃত ও হত্যা মামলার আসামীদের নিয়ে সভা! ক্ষোভে ভাসছে তানোর বিএনপি
রাজশাহীর তানোরে বহিস্কৃত ও হত্যা মামলার আসামীদের নিয়ে পর্যালোচনা সভা করে নতুন ভাবে বিতর্কের জম্ম দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য মেজর জেনারেল (অব) শরিফ উদ্দীন বলে অভিযোগ উঠেছে। গত শনিবার সকাল ১১ টা থেকে বিকেল পাঁচ টা পর্যন্ত উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ৩১ দফা বাস্তবায়নে ও সাংগঠনিক তৎপরতা বৃদ্ধির লক্ষে পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার আয়োজন করেন উপজেলা ও তানোর এবং মু্ন্ডুমালা পৌর বিএনপি অঙ্গ সহযোগী সংগঠন। বহিস্কৃত ও হত্যা মামলার আসামীদের নিয়ে সভা করার কারনে বিএনপির একাংশ সভায় ছিলেন না। আবার উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির যাবতীয় কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। কিন্তু কোন কিছুর তোয়াক্কা না করে মনোনয়ন প্রত্যাশী শরীফ উদ্দিন সভা করেন। এতে করে সিনিয়র ও তৃনমুল নেতাকর্মী দের মাঝে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। জানা গেছে, গত রমজান মাসে ইফতার মাহফিলকে কেন্দ্র করে পাঁচম্দর ও চান্দুড়িয়া ইউপি বিএনপির দুগ্রুপের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে দুই ইউপির দুই কর্মী নিহত হয়। এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান
মিজান ও পাঁচম্দর ইউপি বিএনপির সভাপতি প্রভাষক মুজিবুর রহমান কে দল থেকে বহিস্কার করা হয় এবং উপজেলা আহবায়ক কমিটির সকল ধরনের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। দুই হত্যার ঘটনায় মামলা হয়, মামলায় জেল খাটতে হয় নেতাদের। এসব কারনে দীর্ঘ সময় ধরে তানোরে কোন ধরনের সভা করেননি শরীফ উদ্দিন। সভার বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা ছাত্র দলের সাবেক সভাপতি আব্দুল মালেক মন্ডল বলেন, গত শনিবারের সভার সার্বিক দায়িত্ব পালন করেন বহিস্কৃত নেতা সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিজান। এমনকি দুপুরের খাবারের রান্না হয় মিজানের বাড়িতে। বহিস্কৃত ও হত্যা মামলার আসামীরা সভার দায়িত্বে থাকার কারনে আমরা উপস্থিত হয়নি। শুধু তাই না উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সরনজাই ইউপি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক খানকে আ"লীগে যোগদানের কারনে বহিস্কার হয়, তাকে নিয়ে সভা করছেন মেজর জেনারেল (অব) শরীফ উদ্দিন। দলের গঠনতন্ত্র বিরোধী কাজ করার পরও তারা কিভাবে সভায় থাকতে পারে এমন প্রশ্ন রাখেন তিনি। আরো জানান, আসলে মেজর জেনারেল (অব) রাজনৈতিক ভাবে অপরিপক্ক। তাকে মিজান যা
বলছে সেটাই করছে। আগামীতে জাতীয় নির্বাচন অথচ দলের বিভেদ দূর করার পরিবর্তে নতুন রুপে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করতে মরিয়া। মিজান এক সময় মেজর জেনারেল কে তানোর পৌর সভায় ঢুকতে দেয়নি। কোন সভা করতে দেয়নি। ওই সময় সাবেক সম্পাদক মফিজ উদ্দিন, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হযরত আলী, সাবেক বাধাইড় ইউপি চেয়ারম্যান হেনা, সাবেক পাঁচন্দর ইউপি চেয়ারম্যান মমিনসহ বৃহত্তর অংশ নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে দলীয় সভা করা হয়েছে। এখন আমরা পর বহিস্কৃত মিজান আপন। জেলা বিএনপির সদস্য সচিব বিশ্বনাথ সরকার জানান, শনিবারের মিটিং সম্পর্কে জানা নেই। তানোর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির যাবতীয় কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। তাদের সভা করার কোন এখতিয়ার নেই। বহিস্কৃত নেতারা কোনভাবেই সভায় আসতে পারবেনা। কারন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কঠোর নির্দেশনা আছে এসব ব্যাপারে। তারপরও তারা সভা করেছেন সেটা সম্পূর্ণ রুপে দলীয় গঠনতন্ত্র বিরোধী। কেন্দ্র কে অবহিত করা হবে। যে নির্দেশনা দিবেন সে মোতাবেক দলীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত