বগুড়া সদর থানার দুই মামলার পলাতক আসামি রিপন সরকার (৩৫) বেনাপোলে আটক হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় তিনি ভারতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশে পাসপোর্ট জমা দিলে তার ডাটাবেস যাচাইয়ে বগুড়া সদর থানায় দুইটি সক্রিয় মামলার আসামি প্রমানিত হওয়ায় তাকে আটক করা হয়।
আটককৃত রিপন সরকার বগুড়া জেলার সদর থানার ঠেংগামারা গ্রামের সাজু সরকারের ছেলে। বগুড়া পুলিশ সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী তার নামে বগুড়া সদর থানার মামলা নং-৪১, (১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪), ধারা: ১৪৩/৩২৪/৩২৫/৩২৬/৩০৭/১০৯/১১৪/৩৪ পেনাল কোড তৎসহ ৩/৫/৬ বিস্ফোরক দ্রব্য আইন ১৯০৮ এবং একই থানার মামলা নং-২৯ (১২ অক্টোবর ২০২১): ধারা: ৭/৩০ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩)।
বেনাপো ইমিগ্রেশন পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইলিয়াছ হোসেন মুন্সী জানিয়েছেন, রিপন সরকারের পাসপোর্ট নম্বর এ০৮০১৮৬৪৪ স্ক্যানিংয়ের সময় সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত হন। এসময় কর্তব্যরত কর্মকর্তারা ডাটাবেস যাচাই করে নিশ্চিত হন যে তিনি বগুড়া সদর থানার দুইটি সক্রিয় মামলার আসামি। তাকে
তাৎক্ষণিক আটক করে সংশ্লিষ্ট বেনাপোল পোর্ট থানায় অবহিত করণ এবং ইমিগ্রেশনের কার্যাদি শেষে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রাসেল মিয়া জানিয়েছেন, তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে সংশ্লিষ্ঠ বগুড়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন সুত্রে জানা যায়, "পলাতক আসামিদের আন্তর্জাতিক সীমান্ত দিয়ে পলায়নের চেষ্টা বাধাগ্রস্ত করতে ইমিগ্রেশন ডাটাবেসের সঙ্গে পুলিশ রেকর্ডের সমন্বয় জোরদার করা হয়েছে," যেকারণে এ ইমিগ্রেশনে কয়েকদিনের ব্যবধানে আটক হয়েছে ৩জন দাগি আসামী।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
আটককৃত রিপন সরকার বগুড়া জেলার সদর থানার ঠেংগামারা গ্রামের সাজু সরকারের ছেলে। বগুড়া পুলিশ সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী তার নামে বগুড়া সদর থানার মামলা নং-৪১, (১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪), ধারা: ১৪৩/৩২৪/৩২৫/৩২৬/৩০৭/১০৯/১১৪/৩৪ পেনাল কোড তৎসহ ৩/৫/৬ বিস্ফোরক দ্রব্য আইন ১৯০৮ এবং একই থানার মামলা নং-২৯ (১২ অক্টোবর ২০২১): ধারা: ৭/৩০ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩)।
বেনাপো ইমিগ্রেশন পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইলিয়াছ হোসেন মুন্সী জানিয়েছেন, রিপন সরকারের পাসপোর্ট নম্বর এ০৮০১৮৬৪৪ স্ক্যানিংয়ের সময় সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত হন। এসময় কর্তব্যরত কর্মকর্তারা ডাটাবেস যাচাই করে নিশ্চিত হন যে তিনি বগুড়া সদর থানার দুইটি সক্রিয় মামলার আসামি। তাকে
তাৎক্ষণিক আটক করে সংশ্লিষ্ট বেনাপোল পোর্ট থানায় অবহিত করণ এবং ইমিগ্রেশনের কার্যাদি শেষে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রাসেল মিয়া জানিয়েছেন, তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে সংশ্লিষ্ঠ বগুড়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন সুত্রে জানা যায়, "পলাতক আসামিদের আন্তর্জাতিক সীমান্ত দিয়ে পলায়নের চেষ্টা বাধাগ্রস্ত করতে ইমিগ্রেশন ডাটাবেসের সঙ্গে পুলিশ রেকর্ডের সমন্বয় জোরদার করা হয়েছে," যেকারণে এ ইমিগ্রেশনে কয়েকদিনের ব্যবধানে আটক হয়েছে ৩জন দাগি আসামী।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব