বেনাপোল পোর্ট থানাধীন আলোচিত ইউনুস আলী হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), যশোর জেলা।এ ঘটনায় দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।
নিহত ইউনুস আলী (৪৭) বেনাপোল স্থলবন্দরের একটি ট্রান্সপোর্ট এজেন্সিতে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি বেনাপোল পোর্ট থানার ছোট আচড়া গ্রামের বাসিন্দা।তদন্তে জানা যায়, ইউনুস আলীর স্ত্রী তাসলীমা খাতুন তাকে ছেড়ে আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।
পরে সেই সংসার ছেড়ে আবার ইউনুস আলীর কাছে ফিরে আসেন। এ ঘটনায় আনোয়ার হোসেন ক্ষুব্ধ হয়ে ইউনুস আলীকে হত্যার পরিকল্পনা করে।গত ২২ এপ্রিল গ্রেফতারকৃত আসামি তরিকুল ইসলাম ইউনুস আলীকে কাজের কথা বলে ডেকে নিয়ে যায়। পরে তাকে রহমতপুর এলাকায় পলাতক আসামি রানার বাড়িতে নেওয়া হয়। সেখানে আনোয়ার হোসেন ও রানা মিলে ইউনুস আলীকে মারধর, নির্যাতন এবং একপর্যায়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।
হত্যার পর নিহতের মরদেহ অপর গ্রেফতারকৃত আসামি সবুজ হোসেনের মোটরসাইকেলে করে বেনাপোল পোর্ট থানার চারা বটতলা এলাকায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায় তারা।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই ইউসুফ আলী বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে বেনাপোল পোর্ট থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার নম্বর-১৫, তারিখ ২৩/০৪/২০২৬, ধারা ৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড।মামলাটি পিবিআইয়ের তফসিলভুক্ত হওয়ায় যশোর জেলা পিবিআই স্বপ্রণোদিত হয়ে তদন্ত শুরু করে। তদন্তভার দেওয়া হয় এসআই (নিঃ) রতন মিয়ার ওপর।
তদন্ত ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গতকাল সোমবার ২৭ এপ্রিল গোপালগঞ্জ সদর থানা এলাকা থেকে তরিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন বেনাপোলে নিজ বাড়ি থেকে সবুজ হোসেন (২১) গ্রেফতার হয়।
সবুজের স্বীকারোক্তি ও দেখানো মতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।পিবিআই জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত দুই আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে। পলাতক আনোয়ার হোসেন ও রানা’কে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।মামলার তদন্ত কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে।
বেনাপোলে চাঞ্চল্যকর ইউনুস আলী হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন: তরিকুল ও সবুজ গ্রেফতার
বেনাপোলে চাঞ্চল্যকর ইউনুস আলী হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন: তরিকুল ও সবুজ গ্রেফতার
বেনাপোল পোর্ট থানাধীন আলোচিত ইউনুস আলী হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), যশোর জেলা।এ ঘটনায় দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত ইউনুস আলী (৪৭) বেনাপোল স্থলবন্দরের একটি ট্রান্সপোর্ট এজেন্সিতে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি বেনাপোল পোর্ট থানার ছোট আচড়া গ্রামের বাসিন্দা।তদন্তে জানা যায়, ইউনুস আলীর স্ত্রী তাসলীমা খাতুন তাকে ছেড়ে আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। পরে সেই সংসার ছেড়ে আবার ইউনুস আলীর কাছে ফিরে আসেন। এ ঘটনায় আনোয়ার হোসেন ক্ষুব্ধ হয়ে ইউনুস আলীকে হত্যার পরিকল্পনা করে।গত
২২ এপ্রিল গ্রেফতারকৃত আসামি তরিকুল ইসলাম ইউনুস আলীকে কাজের কথা বলে ডেকে নিয়ে যায়। পরে তাকে রহমতপুর এলাকায় পলাতক আসামি রানার বাড়িতে নেওয়া হয়। সেখানে আনোয়ার হোসেন ও রানা মিলে ইউনুস আলীকে মারধর, নির্যাতন এবং একপর্যায়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। হত্যার পর নিহতের মরদেহ অপর গ্রেফতারকৃত আসামি সবুজ হোসেনের মোটরসাইকেলে করে বেনাপোল পোর্ট থানার চারা বটতলা এলাকায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায় তারা। এ ঘটনায় নিহতের ভাই ইউসুফ আলী বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে বেনাপোল পোর্ট থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার নম্বর-১৫, তারিখ ২৩/০৪/২০২৬, ধারা ৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড।মামলাটি পিবিআইয়ের
তফসিলভুক্ত হওয়ায় যশোর জেলা পিবিআই স্বপ্রণোদিত হয়ে তদন্ত শুরু করে। তদন্তভার দেওয়া হয় এসআই (নিঃ) রতন মিয়ার ওপর। তদন্ত ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গতকাল সোমবার ২৭ এপ্রিল গোপালগঞ্জ সদর থানা এলাকা থেকে তরিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন বেনাপোলে নিজ বাড়ি থেকে সবুজ হোসেন (২১) গ্রেফতার হয়। সবুজের স্বীকারোক্তি ও দেখানো মতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।পিবিআই জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত দুই আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে। পলাতক আনোয়ার হোসেন ও রানা’কে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।মামলার তদন্ত কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত