রাজধানীর বেইলি রোডস্থ বেইলি হাইটসের একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৩৪ কোটি টাকা মূল্যের ৩টি কষ্টিপাথরের মূর্তি এবং ৪০ লক্ষ টাকা মূল্যমানের ১১০ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১০। অভিযানে জড়িত চক্রের ৪ সদস্যকে আটক করা হয়েছে।
র্যাব সূত্র জানায়, গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার ২৭ মে ২০২৫ বিকেল ৩টা ১০ মিনিটে অভিযানটি পরিচালিত হয়। আটক ব্যক্তিরা হলেন—মোহাম্মদ জাকির হোসেন (৬৫), আহমদ মোস্তফা (৪৪), মোঃ আনারুল হক (৪৮) এবং মোঃ হাবিবুর রহমান (৪২)। এরা দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ও বিদেশি মদ সংগ্রহ করে মজুদ ও পাচার করতেন বলে জানা গেছে।
উদ্ধার হওয়া মূর্তিগুলোর মধ্যে একটি বিষ্ণুমূর্তির ওজন ৮৮.৯৫০ কেজি এবং উচ্চতা ৪২.৫ ইঞ্চি, অপর বিষ্ণুমূর্তির ওজন ১৯.৬৫০ কেজি ও উচ্চতা ২৬.৫ ইঞ্চি। তৃতীয় মূর্তিটি (সনাতন ধর্মের শিবের বাহক নন্দী )গরুর বলে ধারণা করা হচ্ছে, যার ওজন ৯২.৬৯০ কেজি ও উচ্চতা ২২.৫ ইঞ্চি। স্থানীয় স্বর্ণকার কর্তৃক প্রাথমিক পরীক্ষায় এগুলো কষ্টিপাথরের তৈরি মূল্যবান প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন বলে শনাক্ত হয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা স্বীকার করেছে যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এসব মূল্যবান দ্রব্য পাচারে জড়িত ছিল। তাদের মূল লক্ষ্য ছিল স্বল্প সময়ে অধিক লাভ অর্জন করা।
র্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এসব মূর্তি শুধু প্রাচীন শিল্পকলার নিদর্শনই নয়, বরং আমাদের ঐতিহ্য, ধর্মীয় বিশ্বাস ও সংস্কৃতিরও অংশ। এগুলো রাষ্ট্রীয়ভাবে সংরক্ষণ করে জাদুঘরে প্রদর্শনের ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ইতিহাস সম্পর্কে সচেতন হতে পারে।
আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে র্যাব জানিয়েছে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
র্যাব সূত্র জানায়, গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার ২৭ মে ২০২৫ বিকেল ৩টা ১০ মিনিটে অভিযানটি পরিচালিত হয়। আটক ব্যক্তিরা হলেন—মোহাম্মদ জাকির হোসেন (৬৫), আহমদ মোস্তফা (৪৪), মোঃ আনারুল হক (৪৮) এবং মোঃ হাবিবুর রহমান (৪২)। এরা দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ও বিদেশি মদ সংগ্রহ করে মজুদ ও পাচার করতেন বলে জানা গেছে।
উদ্ধার হওয়া মূর্তিগুলোর মধ্যে একটি বিষ্ণুমূর্তির ওজন ৮৮.৯৫০ কেজি এবং উচ্চতা ৪২.৫ ইঞ্চি, অপর বিষ্ণুমূর্তির ওজন ১৯.৬৫০ কেজি ও উচ্চতা ২৬.৫ ইঞ্চি। তৃতীয় মূর্তিটি (সনাতন ধর্মের শিবের বাহক নন্দী )গরুর বলে ধারণা করা হচ্ছে, যার ওজন ৯২.৬৯০ কেজি ও উচ্চতা ২২.৫ ইঞ্চি। স্থানীয় স্বর্ণকার কর্তৃক প্রাথমিক পরীক্ষায় এগুলো কষ্টিপাথরের তৈরি মূল্যবান প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন বলে শনাক্ত হয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা স্বীকার করেছে যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এসব মূল্যবান দ্রব্য পাচারে জড়িত ছিল। তাদের মূল লক্ষ্য ছিল স্বল্প সময়ে অধিক লাভ অর্জন করা।
র্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এসব মূর্তি শুধু প্রাচীন শিল্পকলার নিদর্শনই নয়, বরং আমাদের ঐতিহ্য, ধর্মীয় বিশ্বাস ও সংস্কৃতিরও অংশ। এগুলো রাষ্ট্রীয়ভাবে সংরক্ষণ করে জাদুঘরে প্রদর্শনের ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ইতিহাস সম্পর্কে সচেতন হতে পারে।
আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে র্যাব জানিয়েছে।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব