নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলায় উজ্জ্বল শেখ নামে এক ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে নির্মমভাবে নির্যাতন ও অর্থ ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বনপাড়া পৌর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম প্রিন্সের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।
রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে বনপাড়া পৌর শহরের নিজ বাড়িতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উজ্জ্বল শেখের ছোট ভাইয়ের স্ত্রী। তিনি অভিযোগ করে বলেন, তার ভাসুর দীর্ঘদিন ধরে বনপাড়া বাজারের সেডঘরে কসাই হিসেবে মাংসের ব্যবসা করে আসছেন। তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত নন এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সঙ্গেও তার কোনো সম্পর্ক নেই।
বক্তব্যে আরও বলা হয়, বনপাড়া পৌর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম প্রিন্স ও তার সহযোগী সরদারপাড়ার সোহেল এবং মহিষভাঙ্গার সুমন দীর্ঘদিন ধরে উজ্জ্বল শেখের কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় গত ১৩ ডিসেম্বর দুপুরে ব্যবসায়িক কাজে নগদ ৭০ হাজার টাকা নিয়ে বাজারে যাওয়ার পথে তাকে অপহরণ করা হয়। পরে সারা শরীরে অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে তার কাছ থেকে অর্থ ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
বর্তমানে গুরুতর আহত অবস্থায় উজ্জ্বল শেখ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানান পরিবারের সদস্যরা।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থেকে ভুক্তভোগী পরিবার অভিযুক্ত চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উজ্জ্বল শেখের মা ফাতেমা বেগম, বড় বোন মনোয়ারা মুন্নি ও ভাগ্নি আশা খাতুনসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা।
রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে বনপাড়া পৌর শহরের নিজ বাড়িতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উজ্জ্বল শেখের ছোট ভাইয়ের স্ত্রী। তিনি অভিযোগ করে বলেন, তার ভাসুর দীর্ঘদিন ধরে বনপাড়া বাজারের সেডঘরে কসাই হিসেবে মাংসের ব্যবসা করে আসছেন। তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত নন এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সঙ্গেও তার কোনো সম্পর্ক নেই।
বক্তব্যে আরও বলা হয়, বনপাড়া পৌর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম প্রিন্স ও তার সহযোগী সরদারপাড়ার সোহেল এবং মহিষভাঙ্গার সুমন দীর্ঘদিন ধরে উজ্জ্বল শেখের কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় গত ১৩ ডিসেম্বর দুপুরে ব্যবসায়িক কাজে নগদ ৭০ হাজার টাকা নিয়ে বাজারে যাওয়ার পথে তাকে অপহরণ করা হয়। পরে সারা শরীরে অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে তার কাছ থেকে অর্থ ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
বর্তমানে গুরুতর আহত অবস্থায় উজ্জ্বল শেখ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানান পরিবারের সদস্যরা।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থেকে ভুক্তভোগী পরিবার অভিযুক্ত চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উজ্জ্বল শেখের মা ফাতেমা বেগম, বড় বোন মনোয়ারা মুন্নি ও ভাগ্নি আশা খাতুনসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা।