আবদুল্লাহ আল শাহিদ খান ,ববি প্রতিনিধি: বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) প্রকৌশল দপ্তরের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ১৩ মাস ধরে এক ঠিকাদারের বিল আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মামুন অর রশীদের সঙ্গে 'সমঝোতা' না হওয়ায় এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী ঠিকাদার।
ভুক্তভোগী প্রতিষ্ঠান 'মুন্সি এন্টারপ্রাইজ'-এর স্বত্বাধিকারী সাইফুল মুন্সি অভিযোগ করে বলেন, "সহকারী প্রকৌশলী মামুন অর রশীদ দীর্ঘদিন ধরে আমার কাছে ঘুষের দাবি করে আসছেন। যিনি তাকে টাকা দেন, তার বিল দ্রুত ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু আমি তাকে চাঁদা না দেওয়ায় গত ১৩ মাস ধরে আমার পাওনা বিলটি আটকে রাখা হয়েছে।"
ঠিকাদার সাইফুল মুন্সি আরও অভিযোগ করেন, "সবাই বিল পেয়ে গেলেও শুধুমাত্র সমঝোতা না হওয়ার কারণে আমার বিলটি আটকে আছে। এ বিষয়ে কথা বলতে গতকাল (রবিবার) আমি তার কক্ষে গেলে তিনি আমার সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং রুম থেকে বের করে দেন।"
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে সহকারী প্রকৌশলী মামুন অর রশীদ ঘুসের দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, "এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। মূলত ঠিকাদার সময়মতো প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে না পারায় বিল তৈরিতে দেরি হয়েছে।"
বিল আটকে থাকার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি আরও বলেন, "তিনি (ঠিকাদার) যে কাজগুলো করেছেন, সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে সেগুলোর একটি কাজের প্রত্যয়নপত্র নিয়ে আসতে বলেছিলাম। এতে আমার কাজের সুবিধা হতো, কিন্তু তিনি তা সরবরাহ করতে পারেননি। আমি সরকারি চাকরি করি, বিল পাসের একটি নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে।"
এ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-প্রধান প্রকৌশলী মুরশিদ আবেদিন বলেন, "কোনো ঠিকাদারের বিল ১৩ মাস তো দূরের কথা, ১৩ দিনও আটকে রাখার কোনো সুযোগ নেই। কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে কি না, তাও আমার জানা নেই।"
তিনি বলেন, "আমাদের মামুন সাহেবের কিছুটা গাফিলতি আছে। নিয়মানুযায়ী আমরা যে কাজ করেছি, সেটার একটি প্রত্যয়নপত্র লাগবেই, তা না হলে বিল পাস করা সম্ভব নয়।" চাঁদা বা ঘুস দাবির অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপ-প্রকৌশলী বলেন, "না, এমন কোনো ঘটনা আমার জানা নেই।"
ববি প্রকৌশল দপ্তরের বিরুদ্ধে ঠিকাদারের বিল ১৩ মাস আটকে রাখার অভিযোগ
ববি প্রকৌশল দপ্তরের বিরুদ্ধে ঠিকাদারের বিল ১৩ মাস আটকে রাখার অভিযোগ
আবদুল্লাহ আল শাহিদ খান ,ববি প্রতিনিধি: বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) প্রকৌশল দপ্তরের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ১৩ মাস ধরে এক ঠিকাদারের বিল আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মামুন অর রশীদের সঙ্গে 'সমঝোতা' না হওয়ায় এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী ঠিকাদার। ভুক্তভোগী প্রতিষ্ঠান 'মুন্সি এন্টারপ্রাইজ'-এর স্বত্বাধিকারী সাইফুল মুন্সি অভিযোগ করে বলেন, "সহকারী প্রকৌশলী মামুন অর রশীদ দীর্ঘদিন ধরে আমার কাছে ঘুষের দাবি করে আসছেন। যিনি তাকে টাকা দেন, তার বিল দ্রুত ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু আমি তাকে চাঁদা না দেওয়ায় গত ১৩ মাস ধরে আমার পাওনা বিলটি আটকে রাখা হয়েছে।" ঠিকাদার সাইফুল মুন্সি আরও
অভিযোগ করেন, "সবাই বিল পেয়ে গেলেও শুধুমাত্র সমঝোতা না হওয়ার কারণে আমার বিলটি আটকে আছে। এ বিষয়ে কথা বলতে গতকাল (রবিবার) আমি তার কক্ষে গেলে তিনি আমার সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং রুম থেকে বের করে দেন।" অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে সহকারী প্রকৌশলী মামুন অর রশীদ ঘুসের দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, "এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। মূলত ঠিকাদার সময়মতো প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে না পারায় বিল তৈরিতে দেরি হয়েছে।" বিল আটকে থাকার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি আরও বলেন, "তিনি (ঠিকাদার) যে কাজগুলো করেছেন, সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে সেগুলোর একটি কাজের প্রত্যয়নপত্র নিয়ে আসতে বলেছিলাম। এতে আমার কাজের
সুবিধা হতো, কিন্তু তিনি তা সরবরাহ করতে পারেননি। আমি সরকারি চাকরি করি, বিল পাসের একটি নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে।" এ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-প্রধান প্রকৌশলী মুরশিদ আবেদিন বলেন, "কোনো ঠিকাদারের বিল ১৩ মাস তো দূরের কথা, ১৩ দিনও আটকে রাখার কোনো সুযোগ নেই। কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে কি না, তাও আমার জানা নেই।" তিনি বলেন, "আমাদের মামুন সাহেবের কিছুটা গাফিলতি আছে। নিয়মানুযায়ী আমরা যে কাজ করেছি, সেটার একটি প্রত্যয়নপত্র লাগবেই, তা না হলে বিল পাস করা সম্ভব নয়।" চাঁদা বা ঘুস দাবির অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপ-প্রকৌশলী বলেন, "না, এমন কোনো ঘটনা আমার জানা নেই।"
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত