বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
logo
Breaking News
ঝালকাঠির নলছিটিতে জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৯ কর্মকর্তাকে বদলি পাবনায় মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দলের উদ্যোগে শহীদ জিয়ার ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিক পালন হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু চাঁদাপুর লঞ্চঘাটে চাঁদা না দেয়ায় দুই যাত্রীর ওপরে হামলা, থানায় জিডি বিদ্যুতের দাম বাড়ল দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে: মির্জা ফখরুল বাজেট তৈরি হচ্ছে সাধারণ মানুষের কথা বিবেচনায় নিয়ে: অর্থমন্ত্রী আসামি সোহেল-স্বপ্না নিজেদের নির্দোষ দাবি করে আদালতে যা বললেন "প্রথম বিদেশ সফরে প্রধানমন্ত্রী কোথায় যাবেন তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে"
সারাবাংলা আত্রাইয়ে কলেজের শ্রেণী কক্ষের টিনের ছাউনিতে পলিথিন দিয়ে চলছে পাঠদান
logo

আত্রাইয়ে কলেজের শ্রেণী কক্ষের টিনের ছাউনিতে পলিথিন দিয়ে চলছে পাঠদান

 নওগাঁর আত্রাইয়ে ঝড় ও শিলা বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্থ টিনের ছাউনিতে পলিথিন দিয়ে পাঠদান চলছে এক বিএম কলেজে। ২০০৫ সালে কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হলেও আজ পর্যন্ত কোন ভবন নির্মিত না হওয়ায় ঝুঁকির মধ্যদিয়েই চালাতে হচ্ছে পাঠদান কার্যক্রম।

আত্রাই উপজেলা সদরে যুবকদের কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত করতে ২০০৫ সালে গড়ে তোলা হয় “সাহেবগঞ্জ টেকনিক্যাল এ্যান্ড বিএম কলেজ” নামে এ প্রতিষ্ঠান। সে সময়ই তারা একাডেমিক স্বীকৃতি লাভ করে চালাতে থাকেন পাঠদান কার্যক্রম। এইচএসসি পর্যায়ের এ কলেজটিতে বর্তমান শিক্ষার্থী সংখ্যা প্রায় ৩০০ জন। শিক্ষার্থীদের পাঠদান ও অফিস কার্যক্রম পরিচালনার জন্য মোট ১১ টি টিনসেড কক্ষ রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে আত্রাইয়ে ঝড় ও শিলা বৃষ্টিতে  কলেজের ৬ টি কক্ষের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। টিনের চালা ঝাঁঝরা হয়ে গেছে। বৃষ্টি হলেই ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান কার্যক্রম। এদিকে কলেজের আর্থিক অবস্থা সুচনীয় হওয়ায় টিন পরিবর্তন করা সম্ভব না হওয়ায় টিনের উপর পলিথিন দিয়ে কোন রকমে চালাতে হচ্ছে পাঠদান কার্যক্রম। কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে বরাবর ভাল ফলাফল অর্জন করে আসছে। একাধিকবার উপজেলা পর্যায়ে শীর্ষস্থান দখল করার নজিরও রয়েছে এ কলেজের। সুষ্ঠ পাঠদানের পরিবেশ নিশ্চিত করা হলে কারিগরি শিক্ষায় ব্যাপক সাফল্য অর্জন করা সম্ভব বলে জানিয়েছে শিক্ষার্থীরা। 

কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ আব্দুস সাদেক শিলন বলেন, গত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আমাদের এ প্রতিষ্ঠানের সাথে চরম বিমাতা সূলভ আচরণ করা হয়েছে। আমাদের এমপিও কেটে দেয়া হয়েছিল। যা আইনি লড়াইয়ের মধ্যদিয়ে ফিরে আনতে হয়েছে। এ ছাড়াও উপজেলা সদরের একমাত্র বিএম কলেজ হিসেবে ভবন পাওয়ার অগ্রাধিকার থাকলেও ফ্যাসিষ্ট সরকারের রোষানলের কারনে আমাদেরকে ভবন দেয়া হয়নি। উপজেলা প্রকৌশলী নিতিশ কুমারকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি তার সরকারি মোবাইল ফোনটি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব

খুঁজুন