হেলাল শেখঃ ঢাকার প্রধান শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের জামগড়া এলাকা এবং ধামসোনা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ভাদাইল সংলগ্ন রূপায়ন আবাসন-১ এর মাঠ ও আশপাশের এলাকা বর্তমানে চোর, ছিনতাইকারী ও মাদকসেবী সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়েছে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি ২০২৬ইং) সরেজমিনে ওই এলাকায় গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়,গত এক সপ্তাহে জামগড়া ও ভাদাইল ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী রূপায়ন আবাসন মাঠের ভেতর ও আশপাশে কমপক্ষে ১০ থেকে ১২টি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, একটি সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্র ও মাদকসন্ত্রাসী বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করছে। বিশেষ করে বিকেল ৫টার পর গার্মেন্টস ও বিভিন্ন অফিস ছুটি হলে রাত ১০টা পর্যন্ত শ্রমিক ও কর্মজীবী মানুষের চলাচলের সুযোগ নিয়ে মোবাইল ফোন, নগদ টাকা, ব্যাগ ও স্বর্ণালংকার ছিনতাই করা হচ্ছে।
একাধিক ভুক্তভোগী জানান, ছিনতাইকারীরা ধারালো অস্ত্র দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে সর্বস্ব লুটে নিচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে প্রতিরোধ করতে গেলে মারধরের ঘটনাও ঘটছে। নারী শ্রমিক ও পথচারীরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন বলে জানান তারা।
স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন,“এই মাঠটা সন্ধ্যার পর পুরোপুরি ছিনতাইকারীদের দখলে চলে যায়। আলো নেই,পুলিশ টহলও দেখা যায় না। আমরা আতঙ্কে চলাফেরা করছি।” আরেক শ্রমিক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,“প্রতিদিন কাজ শেষে বাড়ি ফিরতে ভয় লাগে। ২দিন আগেই আমার সহকর্মীর মোবাইল আর টাকা নিয়ে গেছে।”
এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুবেল হাওলাদার বলেন,আমাদের অভিযান চলমান আছে। অপরাধী যেইহোক কাউকে ছাড় দেয়া হবে না বলে তিনি জানান।
আশুলিয়ার জামগড়া রূপায়ন মাঠ ছিনতাইকারীদের নিরাপদ আস্তানা-আতঙ্কে শ্রমজীবী মানুষ!
আশুলিয়ার জামগড়া রূপায়ন মাঠ ছিনতাইকারীদের নিরাপদ আস্তানা-আতঙ্কে শ্রমজীবী মানুষ!
হেলাল শেখঃ ঢাকার প্রধান শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের জামগড়া এলাকা এবং ধামসোনা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ভাদাইল সংলগ্ন রূপায়ন আবাসন-১ এর মাঠ ও আশপাশের এলাকা বর্তমানে চোর, ছিনতাইকারী ও মাদকসেবী সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়েছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি ২০২৬ইং) সরেজমিনে ওই এলাকায় গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়,গত এক সপ্তাহে জামগড়া ও ভাদাইল ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী রূপায়ন আবাসন মাঠের ভেতর ও আশপাশে কমপক্ষে ১০ থেকে ১২টি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এলাকাবাসীর
অভিযোগ, একটি সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্র ও মাদকসন্ত্রাসী বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করছে। বিশেষ করে বিকেল ৫টার পর গার্মেন্টস ও বিভিন্ন অফিস ছুটি হলে রাত ১০টা পর্যন্ত শ্রমিক ও কর্মজীবী মানুষের চলাচলের সুযোগ নিয়ে মোবাইল ফোন, নগদ টাকা, ব্যাগ ও স্বর্ণালংকার ছিনতাই করা হচ্ছে। একাধিক ভুক্তভোগী জানান, ছিনতাইকারীরা ধারালো অস্ত্র দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে সর্বস্ব লুটে নিচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে প্রতিরোধ করতে গেলে মারধরের ঘটনাও ঘটছে। নারী শ্রমিক ও পথচারীরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে
রয়েছেন বলে জানান তারা। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন,“এই মাঠটা সন্ধ্যার পর পুরোপুরি ছিনতাইকারীদের দখলে চলে যায়। আলো নেই,পুলিশ টহলও দেখা যায় না। আমরা আতঙ্কে চলাফেরা করছি।” আরেক শ্রমিক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,“প্রতিদিন কাজ শেষে বাড়ি ফিরতে ভয় লাগে। ২দিন আগেই আমার সহকর্মীর মোবাইল আর টাকা নিয়ে গেছে।” এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুবেল হাওলাদার বলেন,আমাদের অভিযান চলমান আছে। অপরাধী যেইহোক কাউকে ছাড় দেয়া হবে না বলে তিনি জানান।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত