মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনে পরাজয়ের পর পদত্যাগের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, জনগণের রায়ে নয় বরং ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তৃণমূল কংগ্রেসকে পরাজিত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৫ মে) এক সংবাদ সম্মেলনে মমতা বলেন, ‘পদত্যাগের প্রশ্নই আসে না। আমরা ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছি।’
নির্বাচন কমিশনের কঠোর সমালোচনা করেন মমতা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপে পুরো সরকারি যন্ত্র তৃণমূলের বিরুদ্ধে কাজ করেছে।
তার দাবি, প্রায় ১০০টি আসন জোর করে ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে। ভোটার তালিকা থেকে ৯০ লাখ নাম বাদ দেয়ার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘আদালতে যাওয়ার পর ৩২ লাখ নাম পুনরুদ্ধার করা হয়েছিল। কিন্তু পরে আরও সাত লাখ নাম গোপনে যুক্ত করা হয়েছে, যা কেউ জানে না।’
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভারতের নির্বাচন কমিশনকে ‘বিজেপির কমিশন’ এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে এই নির্বাচনের ‘ভিলেন’ হিসেবে অভিহিত করেন।
ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) কারচুপির ইঙ্গিত দিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘ভোটগ্রহণের পর ইভিএমে কীভাবে ৮০-৯০ শতাংশ চার্জ থাকে?’ তিনি আরও অভিযোগ করেন, নির্বাচনের দুদিন আগে থেকে তার দলের কর্মীদের গ্রেপ্তার করা শুরু হয় এবং সব আইপিএস ও আইএএস কর্মকর্তাদের সরিয়ে বিজেপির পছন্দের কর্মকর্তাদের বসানো হয়েছে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে মমতা বলেন, ‘তিনি এখন ‘মুক্ত বিহঙ্গ’ এবং ইন্ডিয়া জোটকে আরও শক্তিশালী করতে কাজ করবেন।’ সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও অখিলেশ যাদবসহ বিরোধী নেতারা তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং সংহতি জানিয়েছেন।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
আমরা তো হারিনি, কেন ইস্তফা দেব: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
আমরা তো হারিনি, কেন ইস্তফা দেব: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনে পরাজয়ের পর পদত্যাগের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, জনগণের রায়ে নয় বরং ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তৃণমূল কংগ্রেসকে পরাজিত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মে) এক সংবাদ সম্মেলনে মমতা বলেন, ‘পদত্যাগের প্রশ্নই আসে না। আমরা ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছি।’ নির্বাচন কমিশনের কঠোর সমালোচনা করেন মমতা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপে পুরো সরকারি যন্ত্র তৃণমূলের বিরুদ্ধে কাজ করেছে। তার দাবি, প্রায় ১০০টি আসন জোর করে ছিনিয়ে
নেয়া হয়েছে। ভোটার তালিকা থেকে ৯০ লাখ নাম বাদ দেয়ার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘আদালতে যাওয়ার পর ৩২ লাখ নাম পুনরুদ্ধার করা হয়েছিল। কিন্তু পরে আরও সাত লাখ নাম গোপনে যুক্ত করা হয়েছে, যা কেউ জানে না।’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভারতের নির্বাচন কমিশনকে ‘বিজেপির কমিশন’ এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে এই নির্বাচনের ‘ভিলেন’ হিসেবে অভিহিত করেন। ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) কারচুপির ইঙ্গিত দিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘ভোটগ্রহণের পর ইভিএমে কীভাবে ৮০-৯০ শতাংশ
চার্জ থাকে?’ তিনি আরও অভিযোগ করেন, নির্বাচনের দুদিন আগে থেকে তার দলের কর্মীদের গ্রেপ্তার করা শুরু হয় এবং সব আইপিএস ও আইএএস কর্মকর্তাদের সরিয়ে বিজেপির পছন্দের কর্মকর্তাদের বসানো হয়েছে। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে মমতা বলেন, ‘তিনি এখন ‘মুক্ত বিহঙ্গ’ এবং ইন্ডিয়া জোটকে আরও শক্তিশালী করতে কাজ করবেন।’ সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও অখিলেশ যাদবসহ বিরোধী নেতারা তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং সংহতি জানিয়েছেন। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত