নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা আজকে ঢাকায় দেখলাম,চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে আমরা কথা বলে যাচ্ছি। জনগণকে আজকে বলতে হচ্ছে, অভ্যুত্থানকারী নাগরিকদের আজকে বলতে হচ্ছে-আপনাদের আবারও প্রস্তুতি নিতে হবে, আবারও মাঠে নামতে হবে,বাংলাদেশের জনগনকে রক্ষা করতে হবে। শহীদরা এই দায়িত্ব আমাদেরকে দিয়ে গিয়েছে।
যারা ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে আমাদের সঙ্গে থাকলেও নতুন বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আমাদের সঙ্গে নেই। তারা পুরনো বন্দোবস্তের পক্ষে আছে। পুরনো বন্দোবস্ত টিকিয়ে রাখার জন্য তারা সবকিছুই করে যাচ্ছে।
খুলনাবাসীর উদ্দেশে নাহিদ বলেন, খুলনা একটি ঐতিহ্যের নগরী। এই খুলনা আজকে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। যুগ যুগ ধরে খুলনা এই বঙ্গ অঞ্চলে শিল্পনগরী হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছিল। কিন্তু সেই শিল্পগুলো একের পর এক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অবশ্যই সেই শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে আবারও প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আবারও পাটকল চালু করতে হবে। শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি দিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, শুধু বাংলাদেশ নয়, গোটা পৃথিবীর অনন্য নিদর্শন সুন্দরবন আমাদের এই খুলনা অঞ্চলে অবস্থিত। রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র করে এই সুন্দরবনকে ধ্বংসের পাঁয়তারা করা হয়েছিল।
ভারতের স্বার্থ রক্ষা করার জন্য রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। বিভিন্ন দুর্যোগে আমরা দেখেছি, এই খুলনা অঞ্চল, এই সুন্দরবন কিভাবে তার বেহাল দশায় পতিত হয়েছে। অথচ এই সুন্দরবন শত শত বছর ধরে এই ব-দ্বীপের মানুষকে ঢাল হিসেবে পাহাড়া দিয়েছে, আমাদেরকে রক্ষা করে গিয়েছে। এই সুন্দরবনকে আমাদের রক্ষা করতে হবে, এই সুন্দরবন আমাদের।
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রসঙ্গ টেনে নাহিদ ইসলাম বলেন, খুলনা অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কুয়েট দীর্ঘসময় ধরে বন্ধ রয়েছে। শিক্ষার্থীরা ভিসির বিরুদ্ধে নেমেছে, শিক্ষকরা-ভিসিরা নিজেদের মধ্যে অন্তর্কোন্দলের কারণে একটা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে রেখেছেন। আমরা দাবি জানাচ্ছি, খুলনা এলাকার মানুষ, আপনাদের এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যদি কারও অন্তর্কোন্দলের কারণে বন্ধ থাকে, তাহলে আপনারা এটা মেনে নেবেন না।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী প্রমুখ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারাসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
'আমাদের আবারও প্রস্তুতি নিতে হবে.আবারও মাঠে নামতে হবে. বাংলাদেশের জনগনকে রক্ষা করতে হবে'
'আমাদের আবারও প্রস্তুতি নিতে হবে.আবারও মাঠে নামতে হবে. বাংলাদেশের জনগনকে রক্ষা করতে হবে'
নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা আজকে ঢাকায় দেখলাম,চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে আমরা কথা বলে যাচ্ছি। জনগণকে আজকে বলতে হচ্ছে, অভ্যুত্থানকারী নাগরিকদের আজকে বলতে হচ্ছে-আপনাদের আবারও প্রস্তুতি নিতে হবে, আবারও মাঠে নামতে হবে,বাংলাদেশের জনগনকে রক্ষা করতে হবে। শহীদরা এই দায়িত্ব আমাদেরকে দিয়ে গিয়েছে। যারা ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে আমাদের সঙ্গে থাকলেও নতুন বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আমাদের সঙ্গে নেই। তারা পুরনো বন্দোবস্তের পক্ষে আছে। পুরনো বন্দোবস্ত টিকিয়ে রাখার জন্য তারা সবকিছুই করে যাচ্ছে।খুলনাবাসীর উদ্দেশে নাহিদ বলেন, খুলনা একটি ঐতিহ্যের নগরী। এই খুলনা আজকে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। যুগ যুগ ধরে খুলনা এই বঙ্গ অঞ্চলে শিল্পনগরী হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছিল। কিন্তু সেই শিল্পগুলো একের পর এক বন্ধ করে
দেওয়া হয়েছে। অবশ্যই সেই শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে আবারও প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আবারও পাটকল চালু করতে হবে। শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি দিতে হবে।তিনি আরও বলেন, শুধু বাংলাদেশ নয়, গোটা পৃথিবীর অনন্য নিদর্শন সুন্দরবন আমাদের এই খুলনা অঞ্চলে অবস্থিত। রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র করে এই সুন্দরবনকে ধ্বংসের পাঁয়তারা করা হয়েছিল। ভারতের স্বার্থ রক্ষা করার জন্য রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। বিভিন্ন দুর্যোগে আমরা দেখেছি, এই খুলনা অঞ্চল, এই সুন্দরবন কিভাবে তার বেহাল দশায় পতিত হয়েছে। অথচ এই সুন্দরবন শত শত বছর ধরে এই ব-দ্বীপের মানুষকে ঢাল হিসেবে পাহাড়া দিয়েছে, আমাদেরকে রক্ষা করে গিয়েছে। এই সুন্দরবনকে আমাদের রক্ষা করতে হবে, এই সুন্দরবন আমাদের।খুলনা প্রকৌশল ও
প্রযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রসঙ্গ টেনে নাহিদ ইসলাম বলেন, খুলনা অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কুয়েট দীর্ঘসময় ধরে বন্ধ রয়েছে। শিক্ষার্থীরা ভিসির বিরুদ্ধে নেমেছে, শিক্ষকরা-ভিসিরা নিজেদের মধ্যে অন্তর্কোন্দলের কারণে একটা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে রেখেছেন। আমরা দাবি জানাচ্ছি, খুলনা এলাকার মানুষ, আপনাদের এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যদি কারও অন্তর্কোন্দলের কারণে বন্ধ থাকে, তাহলে আপনারা এটা মেনে নেবেন না।সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী প্রমুখ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারাসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত