ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ৬২২ জন নিহত হয়েছেন, পাকিস্তান সীমান্তসংলগ্ন আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় পার্বত্য প্রদেশ কুনার ও নানগারহারে আঘাত হানা । সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তার বরাতে এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স
দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মুফতি আবদুল মাতিন বলেন, কুনার প্রদেশে অন্তত ৬১০ জন নিহত হয়েছেন। আর নানগারহার প্রদেশে নিহত হয়েছেন আরও ১২ জন।
তিনি জানান, কুনার প্রদেশে আহতের সংখ্যা ১ হাজার ৩০০ জন। অন্যদিকে নানগারহারে ২৫৫ জনের বেশি আহত হয়েছেন। দুই প্রদেশে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয়েছে।
আজ সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) তালেবান সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণলায় জানিয়েছে, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ভয়াবহ ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ৬১০ জনের প্রাণহানি হয়েছে। আর আহত হয়েছেন ১ হাজার ৩০০ জনের বেশি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় রোববার (৩১ আগস্ট) রাত ১১টা ৪৭ মিনিটে ভূমিকম্প হয়। এর উৎপত্তিস্থল ছিল জালালাবাদ থেকে ২৭ কিলোমটির উত্তর-পূর্বে ভূপৃষ্ঠের ৮ কিলোমিটার গভীরে। এরপর থেকে অন্তত আরও তিনটি কম্পন হয়েছে। সেগুলোর মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৫ থেকে ৫ দশমিক ২-এর মধ্যে। আফগানিস্তানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, প্রাথমিক খবরে জানা গেছে, কেবলমাত্র একটি গ্রামেই ৩০ জনের প্রাণহানি হয়েছে।
দেশটির স্থানীয় কর্মকর্তারা বিবিসিকে বলেছেন, লাঘমানে ৮০ এবং নানগারহার প্রদেশে ৩৩০ জন আহত হয়েছেন। কুনার প্রদেশে হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতি পরিমাণ সবেচেয়ে বেশি। আফগানিস্তানের তথ্য মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা আনাদোলুকে জানিয়েছেন, কুনার প্রদেশের নুর গাল, সাওকি, ওয়াটপুর, মানোগি এবং চাপা দারা জেলায় বেশি হতাহতের খবর পাওয়া গেছে।
তিনি জানান, হতাহতদের সংখ্যা এখনো চূড়ান্ত নয়, কারণ অনেক দূরবর্তী এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে এখনো যোগাযোগ চলছে এবং ত্রাণকর্মীরা ঘটনাস্থলের পথে রয়েছেন। এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ভূমিধসের কারণে সাওকি জেলার দেওয়া গুল এবং নূর গুল জেলার মাজার দারা যাওয়ার সড়ক বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে উদ্ধারকারী দল ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পৌঁছাতে অসুবিধা হচ্ছে।
আফগানিস্তানের অন্তর্র্বতী প্রশাসনের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ ভূমিকম্পে ব্যাপক হতাহতের কথা নিশ্চিত করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি লেখেন, ‘আজ রাতের ভূমিকম্পে দুঃখজনকভাবে আমাদের কয়েকটি পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষতি হয়েছে।
মুজাহিদ জানান, স্থানীয় কর্মকর্তা ও বাসিন্দারা উদ্ধারকাজে নিয়োজিত রয়েছেন এবং কেন্দ্রীয় ও আশপাশের প্রদেশগুলো থেকে উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলের দিকে রওনা হয়েছে। মানুষের জীবন বাঁচাতে সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি। ভূমিকম্পে হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে তালেবান সরকার।
সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক্স পোস্টে ওই বিবৃতিতে বলা হয়, ভূমিকম্পের ফলে ‘আমাদের পূর্বাঞ্চলীয় কিছু প্রদেশে প্রাণ ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে’। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, স্থানীয় কর্মকর্তা এবং বাসিন্দারা ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্ধারে নিয়োজিত আছেন। কেন্দ্র এবং নিকটবর্তী প্রদেশগুলো থেকে উদ্ধারকারী দল ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার পথে রয়েছে।
দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মুফতি আবদুল মাতিন বলেন, কুনার প্রদেশে অন্তত ৬১০ জন নিহত হয়েছেন। আর নানগারহার প্রদেশে নিহত হয়েছেন আরও ১২ জন।
তিনি জানান, কুনার প্রদেশে আহতের সংখ্যা ১ হাজার ৩০০ জন। অন্যদিকে নানগারহারে ২৫৫ জনের বেশি আহত হয়েছেন। দুই প্রদেশে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয়েছে।
আজ সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) তালেবান সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণলায় জানিয়েছে, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ভয়াবহ ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ৬১০ জনের প্রাণহানি হয়েছে। আর আহত হয়েছেন ১ হাজার ৩০০ জনের বেশি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় রোববার (৩১ আগস্ট) রাত ১১টা ৪৭ মিনিটে ভূমিকম্প হয়। এর উৎপত্তিস্থল ছিল জালালাবাদ থেকে ২৭ কিলোমটির উত্তর-পূর্বে ভূপৃষ্ঠের ৮ কিলোমিটার গভীরে। এরপর থেকে অন্তত আরও তিনটি কম্পন হয়েছে। সেগুলোর মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৫ থেকে ৫ দশমিক ২-এর মধ্যে। আফগানিস্তানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, প্রাথমিক খবরে জানা গেছে, কেবলমাত্র একটি গ্রামেই ৩০ জনের প্রাণহানি হয়েছে।
দেশটির স্থানীয় কর্মকর্তারা বিবিসিকে বলেছেন, লাঘমানে ৮০ এবং নানগারহার প্রদেশে ৩৩০ জন আহত হয়েছেন। কুনার প্রদেশে হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতি পরিমাণ সবেচেয়ে বেশি। আফগানিস্তানের তথ্য মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা আনাদোলুকে জানিয়েছেন, কুনার প্রদেশের নুর গাল, সাওকি, ওয়াটপুর, মানোগি এবং চাপা দারা জেলায় বেশি হতাহতের খবর পাওয়া গেছে।
তিনি জানান, হতাহতদের সংখ্যা এখনো চূড়ান্ত নয়, কারণ অনেক দূরবর্তী এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে এখনো যোগাযোগ চলছে এবং ত্রাণকর্মীরা ঘটনাস্থলের পথে রয়েছেন। এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ভূমিধসের কারণে সাওকি জেলার দেওয়া গুল এবং নূর গুল জেলার মাজার দারা যাওয়ার সড়ক বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে উদ্ধারকারী দল ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পৌঁছাতে অসুবিধা হচ্ছে।
আফগানিস্তানের অন্তর্র্বতী প্রশাসনের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ ভূমিকম্পে ব্যাপক হতাহতের কথা নিশ্চিত করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি লেখেন, ‘আজ রাতের ভূমিকম্পে দুঃখজনকভাবে আমাদের কয়েকটি পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষতি হয়েছে।
মুজাহিদ জানান, স্থানীয় কর্মকর্তা ও বাসিন্দারা উদ্ধারকাজে নিয়োজিত রয়েছেন এবং কেন্দ্রীয় ও আশপাশের প্রদেশগুলো থেকে উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলের দিকে রওনা হয়েছে। মানুষের জীবন বাঁচাতে সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি। ভূমিকম্পে হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে তালেবান সরকার।
সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক্স পোস্টে ওই বিবৃতিতে বলা হয়, ভূমিকম্পের ফলে ‘আমাদের পূর্বাঞ্চলীয় কিছু প্রদেশে প্রাণ ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে’। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, স্থানীয় কর্মকর্তা এবং বাসিন্দারা ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্ধারে নিয়োজিত আছেন। কেন্দ্র এবং নিকটবর্তী প্রদেশগুলো থেকে উদ্ধারকারী দল ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার পথে রয়েছে।