ভারতের হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড নির্মিত তেজস হালকা যুদ্ধবিমান রানওয়ে ছাড়িয়ে গিয়ে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে । ঘটনাটির পর এক আসনের প্রায় ৩০টি তেজস উড়োজাহাজ সাময়িকভাবে উড্ডয়ন স্থগিত করে পূর্ণাঙ্গ কারিগরি পরীক্ষা শুরু করেছে ভারতীয় বিমান বাহিনী। স্থানীয় গণমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।
দ্য হিন্দু ও টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়, ৭ ফেব্রুয়ারি একটি অগ্রবর্তী ঘাঁটিতে অবতরণের সময় ব্রেক বিকল হয়ে বিমানটি রানওয়ে ছাড়িয়ে যায়। এতে বিমানের কাঠামোতে বড় ধরনের ক্ষতি হয়। পাইলট নিরাপদে ইজেক্ট করতে সক্ষম হন।
ঘটনার পর পুরো তেজস বহরকে মাটিতে রেখে বিস্তারিত কারিগরি পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে ভারতীয় বিমান বাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেওয়া হয়নি।
প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়, এটি তেজস অন্তর্ভুক্তির পর তৃতীয় দুর্ঘটনা। প্রথম দুর্ঘটনাটি ঘটে ২০২৪ সালের মার্চে জয়সালমেরের কাছে একটি ফায়ারপাওয়ার প্রদর্শনীর পর; সেবারও পাইলট নিরাপদে বেরিয়ে আসেন। দ্বিতীয়টি ঘটে ২০২৫ সালের নভেম্বরে দুবাই এয়ারশোর শেষ দিনে আকাশ প্রদর্শনীর সময়।
এ দুর্ঘটনা এমন সময়ে ঘটল, যখন তেজস এমকে-১এ সরবরাহে বিলম্ব নিয়ে আলোচনা চলছে। ইঞ্জিন সরবরাহে জিই অ্যারোস্পেস নির্ধারিত সময়সীমা মিস করায় ডেলিভারিতে দেরি হচ্ছে বলে ভারতীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে।
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ৮৩টি তেজস এমকে-১এ যুদ্ধবিমান ক্রয়ে ৪৮০ বিলিয়ন রুপি চুক্তি করে। পরে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে আরও ৯৭টি উড়োজাহাজ কেনার জন্য ৬২৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন রুপির পৃথক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সূত্র: ডন
আবারও বিধ্বস্ত ভারতের যুদ্ধবিমান তেজস
আবারও বিধ্বস্ত ভারতের যুদ্ধবিমান তেজস
ভারতের হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড নির্মিত তেজস হালকা যুদ্ধবিমান রানওয়ে ছাড়িয়ে গিয়ে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে । ঘটনাটির পর এক আসনের প্রায় ৩০টি তেজস উড়োজাহাজ সাময়িকভাবে উড্ডয়ন স্থগিত করে পূর্ণাঙ্গ কারিগরি পরীক্ষা শুরু করেছে ভারতীয় বিমান বাহিনী। স্থানীয় গণমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে। দ্য হিন্দু ও টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়, ৭ ফেব্রুয়ারি একটি অগ্রবর্তী ঘাঁটিতে অবতরণের সময় ব্রেক বিকল হয়ে বিমানটি রানওয়ে ছাড়িয়ে যায়। এতে বিমানের কাঠামোতে বড় ধরনের ক্ষতি হয়। পাইলট
নিরাপদে ইজেক্ট করতে সক্ষম হন। ঘটনার পর পুরো তেজস বহরকে মাটিতে রেখে বিস্তারিত কারিগরি পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে ভারতীয় বিমান বাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেওয়া হয়নি। প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়, এটি তেজস অন্তর্ভুক্তির পর তৃতীয় দুর্ঘটনা। প্রথম দুর্ঘটনাটি ঘটে ২০২৪ সালের মার্চে জয়সালমেরের কাছে একটি ফায়ারপাওয়ার প্রদর্শনীর পর; সেবারও পাইলট নিরাপদে বেরিয়ে আসেন। দ্বিতীয়টি ঘটে ২০২৫ সালের নভেম্বরে দুবাই এয়ারশোর শেষ দিনে আকাশ প্রদর্শনীর সময়। এ
দুর্ঘটনা এমন সময়ে ঘটল, যখন তেজস এমকে-১এ সরবরাহে বিলম্ব নিয়ে আলোচনা চলছে। ইঞ্জিন সরবরাহে জিই অ্যারোস্পেস নির্ধারিত সময়সীমা মিস করায় ডেলিভারিতে দেরি হচ্ছে বলে ভারতীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ৮৩টি তেজস এমকে-১এ যুদ্ধবিমান ক্রয়ে ৪৮০ বিলিয়ন রুপি চুক্তি করে। পরে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে আরও ৯৭টি উড়োজাহাজ কেনার জন্য ৬২৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন রুপির পৃথক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সূত্র: ডন
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত