মোঃ বজলুর রহমানঃ

লালবাগের রসুলবাগে ১৭৯ নং হোল্ডিংয়ের বাসিন্দা গৃহবধু রাজিয়া সুলতানা কে অবৈধ অস্ত্রনিয়ে ঘরে ঢুকে মারধোর ও তার কিশোরী কন্যা কে ধর্ষনের চেষ্টা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা।এ বিষয়ে লালবাগ থানায় গৃহবধু রাজিয়া সুলতানা বকুল বাদী হয়ে একটি বেআইনী জনতাবদ্ধে গৃহে অনধিকার প্রবেশ করে সাধারন জখমসহ হত্যার উদ্দেশ্যে লোহার রড দিয়ে গুরুতর রক্তজমাট জখম, ভাঙচুর, চুরি,হুমকি প্রদর্শন, হুকুমপ্রদানসহ জোড়পুর্বক ধর্ষনের চেষ্টা করার অপরাধে মামলা দায়ের করে।পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান,গত ০২/১০/২০২০ সালে দুপুর আড়াইটার সময় বাড়ীর অংশীদারী বিরোধ কে কেন্দ্রকরে হোসেন মোহাম্মদ আলমগীর পিতাঃ-মৃত গনি মিয়া,মোঃআবুল দেওয়ান পিতাঃ-মৃত আব্দুল কাদের,মোঃ অয়ন,মোঃ ইফতি, মোঃ আসলাম পিতাঃমৃত আব্দুর রশিদ বাসি মিয়া,ইয়াসমিন বেগম, জেসমিন বেগম,মোঃহারুন অর রশিদ আলী,মোঃ ফরহাদ, মোঃ আরমান,সাব্বির সংঘবদ্ধভাবে অবৈধ দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে প্রবেশ করে রাজিয়া সুলতানার ঘরের মালামাল ভাঙচুর করে তাকে মারধোর করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ।এসময় রাজিয়া সুলতানার ১৮ বছরের কন্যাকে অন্য একটি ঘরের মধ্যে আটক করে সন্ত্রাসীরা জোড়পুর্বক ধর্ষনের চেষ্টা চালায়,তার বাম গালে কামড় দিয়ে রক্তাক্ত জখম করে।সন্ত্রাসীরা এ সময় তার ছেলে কে মারধোর করে এবং তার স্বামী কে মারধোর করে।তাদের মারধোর ও আর্তচিৎকার শুনে বাড়ীর তৃতীয় তলা থেকে বাদীর ভাতিজি সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসলে তাকেও সন্ত্রাসী  হোসেন মোহাম্মদ আলমগীর বাহিনী শোফায় শোয়াইয়া জোড়পুর্বক ধর্ষনের চেষ্টা করে এবং তার ঘারে পিঠে কামড় দিয়ে রক্ত জমাট করে আহত করেদেয়।সন্ত্রাসীরা এ সময় ব্যাপক তান্ডব চালিয়ে ঘরে লুট পাট করে ২টি ল্যাপটপ,মোবাইল সেট,ও বিভিন্ন মালামাল নিয়ে যায়।এ বিষয়টি নিয়ে এলাকায় থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে।ভুক্তভোগী রাজিয়া সুলতানা এ ঘটনার দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবী করেছে।লালবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ কে এম আশরাফ উদ্দিন বিষয়টি আমলে নিয়ে বাদীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ধারাঃ১৪৩/৪৪৭/৪৪৮/৩২৩/৩২৫/৩০৭/৪২৭/৩৮০/৫০৬/১১৪ পেনালকোড তৎসহ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০(সংশোধিত-২০০৩)এর ৯(৪)খ এ মামলা গ্রহন করে ।এ বিষয়ে লালবাগ থানার মামলা নং-০২ তারিখ ০৩/১০/২০২০ ।