English Version
২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং, শনিবার | ৮ই আশ্বিন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, শরৎকাল

বিজিএমইএ ভবন ভাঙতে আরও সময় চায় কর্তৃপক্ষ

প্রকাশিতঃ আগস্ট ৩১, ২০১৭, ১০:০৩ অপরাহ্ণ


তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) বহুতল ভবন ভাঙার জন্য আরও সময় চেয়েছে কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি বিজিএমইএ’র পক্ষ থেকে আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আবেদন করা হয়।

বিজিএমইএ’র আইনজীবী ব্যারিস্টার ইমতিয়াজ মইনুল ইসলাম জানান, বিজিএমইএ ভবন থেকে সরতে আরও এক বছর সময় চাওয়া হয়েছে। কারণ জমি দিয়েছে রাজউক, এখন সবকিছু প্রক্রিয়াধীন। তাই আরও এক বছর সময় চেয়ে আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে বিজিএমইএ নেতা সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ভবন থেকে সবকিছু শিফট করতে তো অনেক সময়ের প্রয়োজন। সব বিষয়াদি এখন প্রক্রিয়াধীন। তাই আমরা আদালতে এ সময় চেয়েছি।

গত ৯ মার্চ তিন বছর সময় চেয়ে করা আবেদন উপস্থাপন করেন বিজিএমইএ’র আইনজীবী কামরুল হক সিদ্দিকী। পরে আদালত এ আবেদনের শুনানির জন্য ১২ মার্চ দিন ঠিক করেন। ওইদিন (১২ মার্চ) ছয় মাসের সময় দিয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। ভবন কর্তৃপক্ষের তিন বছর সময় চেয়ে করা আবেদনের ওপর শুনানি করে ওইদিন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এসকে) সিনহার নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের তিন সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চ বিজিএমইএ ভবন ভাঙতে ছয় মাস সময় মঞ্জুর করে আদেশ দেন।

১৯৯৮ সালের ২৮ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিজিএমইএ ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ভবন নির্মাণ শেষ হলে ২০০৬ সালের ৮ অক্টোবর বিজিএমইএ ভবন উদ্বোধন করেন সে সময়কার প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। এরপর থেকে ভবনটি বিজিএমইএ’র প্রধান কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

কিন্তু রাজউকের অনুমোদন ছাড়াই কারওয়ানবাজার সংলগ্ন বেগুনবাড়ি খালে বিজিএমইএ ভবন নির্মাণ করা হয়েছে উল্লেখ করে ২০১০ সালের ২ অক্টোবর একটি ইংরেজি দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওইদিনই প্রতিবেদনটি আদালতে উপস্থাপন করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ডি এইচ এম মনির উদ্দিন। পরদিন ৩ অক্টোবর বিজিএমইএ ভবন কেন ভাঙার নির্দেশ দেয়া হবে না, তার কারণ জানতে চেয়ে হাইকোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে (সুয়োমোটো) রুল জারি করেন।

২০১১ সালের ৩ এপ্রিল বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ তার রায়ে বিজিএমইএ ভবন ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে ভবনটি নির্মাণের আগে ওই স্থানের ভূমি যে অবস্থায় ছিল সে অবস্থায় ফিরিয়ে আনতেও নির্দেশ দেন বিজিএমইএকে। একই বছরের ৫ এপ্রিল বিজিএমইএ’র আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেন।

পরবর্তীতে আপিল বিভাগ স্থগিত আদেশের মেয়াদ আরও বাড়ান। এর দুই বছর পর ২০১৩ সালের ১৯ মার্চ হাইকোর্টের ৬৯ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ পায়। রায়ে ভবনটি ৯০ দিনের মধ্যে ভেঙে ফেলে ওই জমি জনকল্যাণে ব্যবহারের নির্দেশ দিয়ে বলা হয়, হাতিরঝিল প্রকল্প একটি জনকল্যাণমূলক প্রকল্প।’

হাইকোর্টের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপির পর লিভ টু আপিল করে বিজিএমইএ কর্তৃপক্ষ। ২০১৬ সালের ২ জুন তা খারিজ হয়ে যায়। পরে বিজিএমইএ আবারও এই রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করে। রিভিউতেও একই রায় বহাল থাকে।

প্রকাশকঃ
মোঃ মামুনুর হাসান (টিপু)

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক:
খন্দকার আমিনুর রহমান

৫০/এফ, ইনার সার্কুলার, (ভি আই পি) রোড- নয়া পল্টন ,ঢাকা- ১০০০।
ফোন: ০২-৯৩৩১৩৯৪, ৯৩৩১৩৯৫, নিউজ রুমঃ ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
ই-মেইল: khoborprotidin24.com@gmail.com, khoborprotidin24news@gmail.com

.::Developed by::.
Great IT