English Version
২০শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং, বুধবার | ৫ই আশ্বিন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, শরৎকাল

শি জিনপিংয়ের সফর নতুন যুগের সূচনা করবে : শেখ হাসিনা

প্রকাশিতঃ জুন ৯, ২০১৭, ৫:৫৪ অপরাহ্ণ


বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় পরাশক্তি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ঢাকা সফরে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অন্যান্য ক্ষেত্রে নিবিড় সহযোগিতার নতুন যুগের সূচনা ঘটবে বলে আশাবাদী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ শুক্রবার শি’র বাংলাদেশ সফরের আগে গত মঙ্গলবার চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিনহুয়াকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, শি বাংলাদেশে আসছেন এজন্য আমরা খুব খুশি এবং সম্মানিত বোধ করছি। আমি বিশ্বাস করি শি’র সফর দক্ষিণ এশিয়ার জন্যও আরও গুরুত্বপূর্ণ হবে। চীন-বাংলাদেশের সম্পর্ক নিয়ে তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, ভালো প্রতিবেশীসুলভ মানসিকতা, পারস্পরিক বিশ্বাস, আস্থা ও একে অন্যের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা- এ ৫ মূলনীতির ওপর দুদেশের সম্পর্ক দাঁড়িয়ে আছে।
বাংলাদেশ এক চীন নীতিতে বিশ্বাসী জানিয়ে তাদের মৌলিক জাতীয় স্বার্থ এবং এর সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত সুরক্ষায় বেইজিংকে সমর্থনের কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ইতিহাসের এমন এক সময়ে শি’র সফর হচ্ছে যখন বাংলাদেশ নিচু স্তরের ভারসাম্য ফাঁদ ভেঙে সবার জন্য সমৃদ্ধি, পরিবেশবান্ধব নীতি বাস্তবায়ন এবং বিনিয়োগ ও শিল্পায়নের নতুন ক্ষেত্র হয়ে ওঠার দিকে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। চীন আমাদের সবচেয়ে বড় ব্যবসায়ী অংশীদার এবং আমাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে চীনকে আমরা একটি আস্থাশীল অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করি। আমাদের অনেক মেগা-প্রকল্পে অর্থায়ন ও প্রযুক্তিগত সহায়তার ক্ষেত্রে চীনই প্রধান ভূমিকায়।
চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক এখন পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে দাঁড়িয়ে সম্ভাব্য সব ক্ষেত্র ছুঁয়েছে বলে মনে করেন শেখ হাসিনা। বহু প্রতীক্ষিত শি জিনপিংয়ের সফরে আমরা এই সম্পর্ককে একটি নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চাই। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং গত কয়েক দশকে দুদেশের সহযোগিতা একটি পরিণতির দিকে গেছে বলে মনে করেন শেখ হাসিনা। তবে অবকাঠামো উন্নয়ন, আইসিটির মতো উদীয়মান খাত ও ইলেকট্রনিকসের মতো ক্ষেত্রগুলোতে দুই দেশের সম্পৃক্ততা ভবিষ্যতে বিস্তৃত করার প্রচুর সুযোগ রয়েছে বলে মনে করছেন তিনি।
চীন প্রস্তাবিত ‘ওয়ান-বেল্ট, ওয়ান রোড’ উদ্যোগের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনৈতিক কর্মকা-ের কেন্দ্রগুলোর সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ার বাকি অংশের যোগাযোগ তৈরিতে তারা এখন কাজ করছেন। এছাড়া দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার মধ্যে একটি একক অর্থনৈতিক যোগাযোগ তৈরিতেও তারা কাজ করছেন। এটা পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে বৃহত্তর যোগাযোগ তৈরির পাশাপাশি দক্ষিণের সমুদ্র বন্দরগুলোর মাধ্যমে তিনটি ইকোসিস্টেমকে বাকি বিশ্বের সঙ্গে সম্পৃক্ত করবে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশের প্রচেষ্টায় সহযোগিতার জন্য চীনের প্রশংসা করে বস্ত্র, চামড়া, পেট্রোকেমিকেল, ওষুধ, জাহাজ নির্মাণ ও কৃষি প্রক্রিয়াকরণের মতো বাংলাদেশের উদীয়মান খাতগুলোতে চীনা কোম্পানির বিনিয়োগও প্রত্যাশা করেন শেখ হাসিনা।

প্রকাশকঃ
মোঃ মামুনুর হাসান (টিপু)

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক:
খন্দকার আমিনুর রহমান

৫০/এফ, ইনার সার্কুলার, (ভি আই পি) রোড- নয়া পল্টন ,ঢাকা- ১০০০।
ফোন: ০২-৯৩৩১৩৯৪, ৯৩৩১৩৯৫, নিউজ রুমঃ ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
ই-মেইল: khoborprotidin24.com@gmail.com, khoborprotidin24news@gmail.com

.::Developed by::.
Great IT