English Version

চোরা না শোনে ধর্মের কাহিনি

প্রকাশিতঃ জানুয়ারি ১১, ২০১৮, ১১:৩০ পূর্বাহ্ণ


কেউ এক মাস আগে, আর কেউ দুই থেকে তিন মাস আগে জামিনে বেরিয়ে আসেন। এক বছর আগে চুরির মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে তাঁরা কারাগারে যান। বেরিয়ে এসে আবারও জড়িয়ে পড়েন চুরিতে। মোবাইলের দোকানই তাঁদের লক্ষ্য। ৮ থেকে ১০ মিনিটের মধ্যে চুরি করে পালিয়ে যান তাঁরা। চোর চক্রের পাঁচ সদস্যসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তারের পর এই তথ্য জানতে পারে পুলিশ। তাঁদের কাছ থেকে চুরি করা ৬৭টি মোবাইল উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তার চোর চক্রের পাঁচ সদস্য হলেন আবদুল্লাহ আল মামুন, রাসেল ওরফে জুয়েল, মো. জাবেদ, ওসমান গণি, মো. পারভেজ এবং চোরাই মোবাইল ক্রেতা মো. আইয়ুব। গত মঙ্গলবার রাতে নগরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে খুলশী থানার পুলিশ।

খুলশী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মহিবুর রহমান বলেন, গত বছর নগরের সানমার ওশান সিটিতে দোকানে চুরির মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন তাঁদের দলনেতা মামুন, রাসেল ও জাবেদ। এর মধ্যে মামুন এক মাস আগে জামিনে মুক্তি পান। বাকি দুজন কয়েক মাসের ব্যবধানে মুক্তি পান।

গতকাল দুপুরে খুলশী থানা ভবনে সংবাদ সম্মেলনে নগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) আব্দুল ওয়ারিশ বলেন, ৪ জানুয়ারি নগরের খুলশী টাউন সেন্টারে রাতে মার্কেট বন্ধ হওয়ার পর দুটি দোকানের শাটার কেটে ১০২টি মোবাইল, নগদ ২ লাখ ১৮ হাজার টাকা, একটি ল্যাপটপ চুরি হয়। এই ঘটনায় খুলশী থানায় মামলা হলে পুলিশ টানা অভিযান চালিয়ে চোর চক্রের পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাঁদের কাছ থেকে পাওয়া তথে৵র ভিত্তিতে নগরের পাঁচলাইশ শুলকবহর এলাকার একটি বাসা থেকে ৬৭টি চোরাই মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার করা হয় মোবাইলগুলোর ক্রেতাকে।

নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (বায়েজিদ অঞ্চল) সোহেল রানা বলেন, তাঁদের দলে ১৩ থেকে ১৪ জনের সদস্য রয়েছেন। বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (উত্তর) মিজানুর রহমান, খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মো. নাসির উদ্দিন প্রমুখ।

প্রকাশকঃ
মোঃ মামুনুর হাসান (টিপু)

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক:
খন্দকার আমিনুর রহমান

৫০/এফ, ইনার সার্কুলার, (ভি আই পি) রোড- নয়া পল্টন ,ঢাকা- ১০০০।
ফোন: ০২-৯৩৩১৩৯৪, ৯৩৩১৩৯৫, নিউজ রুমঃ ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
ই-মেইল: khoborprotidin24.com@gmail.com, khoborprotidin24news@gmail.com

.::Developed by::.
Great IT